Friday, June 12, 2020

করোনার কারণে নতুন করে কঠিন বিপদে পড়তে পারে সাড়ে ৩৯ কোটি মানুষ

Flickriver: Farhad89's most interesting photos

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের কারণে যে অর্থনৈতিক মন্দ্রা দেখা দিয়েছে তা অনুযায়ী ৩৯ কোটি ৫০ লাখ মানুষ নতুন করে অনেক বিপদে পড়তে পারে। এর ফলে চরম দারিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা এক সাথে দৌড়ে বেড়ে যেতে পারে ১১০ কোটিতে। শুক্রবার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য ফাঁস হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএনইউ) ওয়ার্ল্ড ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলোপমেন্ট ইকোনমিক্স রিসার্চ (ডব্লিউআইডিইআর) ওই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বিশ্ব ব্যাংকের মানদণ্ড অনুযায়ী,কঠিন দারিদ্র সীমার নীচে বসবাসরত তাদেরকেই বলা হয়েছে , যারা দৈনিক ১ দশমিক ৯০ ডলার বা ১৬৩ টাকায় জীবন যাপন করেন। দারিদ্র সীমার ওপরের দিকে বসবাসকারীদের ক্ষেত্রে এ হিসাব করা হয়েছে দৈনিক ৫ দশমিক ৫০ ডলার বা ৪৮০ টাকা হাড়ে। 

গবেষণায় বলা হয়েছে, সামগ্রিক মাথাপিছু আয় বা ব্যবহার  ২০ শতাংশ সংকোচন হলে সে পরিস্থিতিকে সবচেয়ে খারাপ বিবেচনা করা হয়েছে। এই কঠিন খারাপ পরিস্থিতিতে বিশ্বে হতো  দারিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারীর সংখ্যা পৌঁছেযাবে ১১০ কোটিতে।

একই ধরনের সংকোচন হিসাবে দারিদ্রসীমার ওপরের দিকে বসবাসরত
 করীদের ক্ষেত্রেও পদক্ষেপ করা হয় তাহলে সম্পূন্য  চিত্র অন্যআকার   ধারণ করবে। সে হিসেবে পৃথিবীর ৩৭০ কোটি মানুষের বসবাস হবে দারিদ্রসীমার নীচে। যা পৃথিবীর মোট লোক সংখ্যার অর্ধেক।

গবেষণা প্রতিবেদনটির অন্যতম লেখক অ্যান্ডি সামনার বলেন, ‘প্রতিদিনের আয়ের ক্ষতি পুড়িয়ে দিতে সরকারগুলো দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে দরিদ্র মানুষদের অবস্থা সামনের দিনগুলোতে আরও জীবন ঝুঁকি পূণ্য হয়ে উঠবে। ফলে দারিদ্রের হার কমানোর যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তার কোনো কার্যকারিতা থাকবে না। বিশ্ব ২০ থেকে ৩০ বছর আগের সময়ে ফিরে যাবে। জাতিসংঘের নিদ্দিষ্ট সময় সীমার মধ্যে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা তখন ফাঁকা  স্বপ্নে পরিণত হবে আর ।’

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে বসবাসরত  সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় চরম দারিদ্রসীমার মধ্যে প্রবেশ করবে। একক দেশ হিসেবে এ তালিকায় প্রথমে স্থানে দখল করবে ভারত। এরপরই রয়েছে সাব সাহার আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলো।

গত সোমবার বিশ্ব ব্যাংক বলেছিল, করোনাভাইরাস মহামারি ৭ থেকে ১০ কোটি মানুষকে কঠিন  দারিদ্রতার মধ্যে পরে যাবে।

হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে,সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা ...

আওয়ামী লীগের মাননীয় সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তেছে খুবই  অসুস্থ।

জ্বর ও অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় এক সপ্তাহ যাবৎ রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

দলের বিশিষ্ট প্রবীণ ও ত্যাগী এই নেতার অসুস্থতার জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

শনিবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সকল সাংবাদিক কে এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থা একটু পরিবর্তন 
 হয়েছে । প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাথে যোগাযোগ করেছেন  খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তাকে আর কিছু  দিন হাসপাতালে থাকতে হতে পারে তার সুস্থতার জন্য। 

অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন গত তিন মেয়াদে ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আছেন । ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন  সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথমে স্বরাষ্ট্র এবং পরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় নতুন আক্রান্ত ৩৪৭১,মৃত্যু ৪৬ জন

Bangladesh coronavirus deaths cross 450

দেশে নতুন করে গত ২৪ ঘন্টায় ৩ হাজার ৪৭১ জনের শরীরে নভেল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ শনাক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪৬ জন মৃত্যু বরণ করেছে।

শুক্রবার করোনাভাইরাস সম্পর্কে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান।

তিনি আরো জানান ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ১৫ হাজার ৯৯০টি নমুনা পরীক্ষার ফলা ফল পাওয়া গেছে। এই পরীক্ষায় নতুন করে ৩ হাজার ৪৭১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ পাওয়া গেছে। দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৮১ হাজার ৫২৩ জন।

ডা. নাসিমা জানান, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছে ৪৬ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৯৫ জনের মৃত্যুবরণ করেছে।

 আগে থেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা আরও ৫০২ জন শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছে। ডা. নাসিমা বলেন, এ নিয়ে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া ১৭ হাজার ২৪৯ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা  হয় এবং ১৮ মার্চ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুবরণ করে ।

জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (সিএসএসই) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৫ লাখ ২৬ হাজার ৭৮৪ জন। এদের মধ্যে ইন্তেকাল করেছেন  ৪ লাখ ২১ হাজার ৫১৬ জন। আর ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৩৫ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৪ জন।